

কিউবার সামরিক অভিজাতদের ওপর অর্থনৈতিক চাপের প্রভাব
BD Feature, Writter
কিউবা বর্তমানে একটি ধীরগতির মানবিক বিপর্যয়ের (Slow-motion humanitarian disaster) মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা দেশটির রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। ২০২৬ সালের বর্তমান সংকটটি মূলত ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক আরোপিত কঠোর তেল অবরোধের মাধ্যমে ত্বরান্বিত হয়েছে। যদিও এই পরিস্থিতি নব্বইয়ের দশকের 'স্পেশাল পিরিয়ড'-এর কথা মনে করিয়ে দেয়, তবে বর্তমান পরিস্থিতির কৌশলগত গভীরতা এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। ১৯৯০-এর দশকে কিউবানদের মধ্যে যে রাজনৈতিক সংহতি এবং বিপ্লবের প্রতি আনুগত্য ছিল, বর্তমানের আকাশছোঁয়া মুদ্রাস্ফীতি এবং নজিরবিহীন বিদ্যুৎ সংকটের মুখে তা চরম ক্ষোভ ও হতাশায় রূপান্তরিত হয়েছে।
১৯৯১–৯৩ সালের ‘স্পেশাল পিরিয়ড’ এবং ২০২৬ সালের বর্তমান সংকটের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল থাকলেও তাদের প্রকৃতি ও কারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। স্পেশাল পিরিয়ডে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে কিউবার জিডিপি অন্তত এক-তৃতীয়াংশ কমে যায়, রাষ্ট্রীয় সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে, চরম খাদ্যসংকট দেখা দেয় এবং মানুষ বেঁচে থাকার জন্য বিকল্প খাদ্যের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হয়। একই সঙ্গে জ্বালানি সংকট এতটাই তীব্র ছিল যে সাইকেল ও ঘোড়ার গাড়িই হয়ে ওঠে প্রধান যাতায়াতের মাধ্যম, আর বিদ্যুৎ ছিল প্রায় অনুপস্থিত। সে সময় অধিকাংশ কিউবান তাদের দুর্দশার জন্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখতেন, ফলে জাতীয় সংহতির একটি ভিত্তি বজায় ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের সংকট ভিন্ন চরিত্রের। এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী মানবিক ও অর্থনৈতিক অবক্ষয়ের রূপ নিয়েছে, যেখানে দোকানে পণ্য থাকলেও সেগুলোর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তেলের উচ্চমূল্য ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবন বিপর্যস্ত। তবে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ঘটেছে জনমতের ক্ষেত্রে। ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রবাহের বিস্তারের ফলে অনেক কিউবান এখন শুধু বাইরের চাপ নয়, বরং সরকারের দীর্ঘদিনের অদক্ষতা, নীতিগত একগুঁয়েমি এবং ক্ষমতাসীন অভিজাতদের সুবিধাবাদী অবস্থানকেও সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন। ফলে যে ক্ষোভ একসময় প্রধানত বহিরাগত শক্তির বিরুদ্ধে ছিল, তা এখন ক্রমশ অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থার দিকে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে, যা কিউবার বর্তমান প্রশাসনের জন্য এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
সামরিক নিয়ন্ত্রিত কনগ্লোমারেট (GAESA) এবং অভিজাতদের সুরক্ষা বলয়
কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামো মূলত সামরিক বাহিনীর কঠোর নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত একটি এককেন্দ্রিক ব্যবস্থা। রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা রক্ষার আড়ালে সামরিক বাহিনী দেশের লাভজনক খাতগুলো কুক্ষিগত করে রেখেছে, যা সাধারণ মানুষের বঞ্চনার বিনিময়ে অভিজাতদের জন্য এক দুর্ভেদ্য সুরক্ষা বলয় তৈরি করেছে।
GAESA-র প্রভাব মূল্যায়ন সামরিক কনগ্লোমারেট GAESA বর্তমানে কিউবার পর্যটন, খুচরা বাণিজ্য এবং বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ উৎস নিয়ন্ত্রণ করে। নীতিনির্ধারণী বিশ্লেষণে দেখা যায়, GAESA-র মাধ্যমে অর্জিত বিপুল রাজস্ব রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হওয়ার পরিবর্তে সরাসরি সামরিক ও রাজনৈতিক অভিজাতদের সুরক্ষিত (Insulated) রাখতে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে যখন সাধারণ কিউবানরা অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছে, তখন এই অভিজাত শ্রেণি মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকছে।

Workers paste over a portrait of former Soviet leader Mikhail Gorbachev in Havana in 1991. Peter Turnley/Corbis/VCG via Getty Images
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব: অভিজাতদের মুখোশ উন্মোচন ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা অভিজাতদের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা জনসমক্ষে ফাঁস করে দিয়েছে, যা সামাজিক অস্থিরতাকে ত্বরান্বিত করছে:
ফার্স্ট লেডির ফ্যাশন ও ভোগবিলাস: সরকারি প্রচারণায় "বিপ্লবী ত্যাগ"-এর কথা বলা হলেও ফার্স্ট লেডির দামী পোশাক ও বিলাসবহুল জীবনযাত্রা মানুষের ক্ষোভের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ক্যাস্ট্রো পরিবারের জীবনযাপন: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্যাস্ট্রো পরিবারের সদস্যদের বিদেশ ভ্রমণ ও দামী পণ্যের প্রদর্শন সাধারণ কিউবানদের মনে এই বিশ্বাস দৃঢ় করেছে যে, শাসকরা তাদের দুঃখের অংশীদার নয়।
তথ্যের সত্যতা: মানুষ এখন সরকারি মুখপত্র 'গ্রানমা' (Granma)-র পরিবর্তে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জানছে যে GAESA কীভাবে জাতীয় সম্পদ ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করছে।
অভিজাতদের এই সুরক্ষিত জীবন এবং সাধারণ মানুষের সীমাহীন দারিদ্র্যের মধ্যকার বৈষম্যই বর্তমান বৈশ্বিক নীতিগত পদক্ষেপের মূল লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে।

In 1996 Cubans generally still supported the country’s revolutionary leaders, Fidel and Raul Castro. Antonio Ribeiro/Gamma-Rapho via Getty Images
লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক আর্থিক নিষেধাজ্ঞা: মাস্টারকার্ড ও ভিসা কার্ডের প্রভাব বিশ্লেষণ
সাধারণ জনগণের ওপর ঢালাও প্রভাব না ফেলে সরাসরি নীতিনির্ধারক ও অভিজাতদের ওপর চাপ প্রয়োগের যে নতুন কৌশল ট্রাম্প প্রশাসন গ্রহণ করেছে, তা কৌশলগতভাবে অত্যন্ত কার্যকরী প্রমাণিত হচ্ছে।
নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা যাচাই মাস্টারকার্ড (Mastercard) এবং ভিসা (Visa) লেনদেন বন্ধ হওয়া কিউবার সাধারণ মানুষের জীবনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি। এর কারণসমূহ হলো:
আর্থিক বৈষম্য: কিউবার সাধারণ মানুষের গড় মাসিক বেতন মাত্র ১৫-২০ ডলার, যা দিয়ে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।
সরাসরি লক্ষ্যবস্তু: এই নিষেধাজ্ঞা কেবল সেই অভিজাতদের ওপর আঘাত করছে যারা আন্তর্জাতিক লেনদেন, বিদেশ ভ্রমণ এবং বিলাসবহুল আমদানির জন্য এই কার্ডগুলোর ওপর নির্ভরশীল ছিল।
জনমতের প্রতিফলন: সাধারণ কিউবানরা এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাচ্ছে। তাদের ভাষায়, "এতদিন আমরা ভুগেছি, এখন সময় হয়েছে তাদেরও আমাদের মতো কষ্টের স্বাদ পাওয়ার।"
এই আর্থিক চাপ কিউবান নেতৃত্বকে তাদের ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধার প্রশ্নে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

A man wearing shorts depicting the U.S. flag walks along a street in Havana on May 6, 2026. Yamil LAge/AFP via Getty Images.
ব্যক্তিগত উদ্যোগের সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য
মার্কিন চাপের মুখে প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল ব্যক্তিগত উদ্যোগের সম্প্রসারণ এবং বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু নীতিগত পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এই সংস্কারগুলো কিউবান সমাজে "পে-টু-সার্ভাইভ" (Pay-to-survive) বা অর্থের বিনিময়ে টিকে থাকার এক চরম বৈষম্যমূলক মডেল তৈরি করেছে।
বাজারের দ্বৈত চরিত্র এবং 'লিব্রেটা'-র পতন কিউবার বাজারে বর্তমানে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে যা সামাজিক অস্থিরতাকে উস্কে দিচ্ছে।
ব্যক্তিগত দোকানের প্রাচুর্য: ব্যক্তিগত দোকানে মার্কিন হুইস্কি বা উন্নত মানের খাদ্যপণ্য পাওয়া গেলেও তার দাম সাধারণ কিউবানের মাসিক বেতনের চেয়েও বেশি। এক পাউন্ড চাল বা ডালের দাম ১ ডলার, যা ১৫ ডলার বেতন পাওয়া একজন মানুষের জন্য আকাশকুসুম।
রেশনিং ব্যবস্থার মৃত্যু: দীর্ঘকাল ধরে কিউবানদের খাদ্যের নিশ্চয়তা দেওয়া 'Libreta' বা রেশনিং ব্যবস্থা বর্তমানে প্রায় অকার্যকর। রাষ্ট্র এখন আর ভর্তুকি দিয়ে খাদ্য সরবরাহ করতে পারছে না, যা সমাজকে সরাসরি বাজারের করুণার ওপর ছেড়ে দিয়েছে।
মুদ্রাস্ফীতির উল্লম্ফন ২০২৪ সালে ডলারের বিপরীতে পেসোর মান যেখানে ২৫০ ছিল, ২০২৬ সালে তা লাফিয়ে ৫৫০-৫৮০ পেসোতে দাঁড়িয়েছে। এই ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতির ফলে রাষ্ট্রীয় মুদ্রার ওপর মানুষের আস্থা শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে, যা কিউবান শাসনব্যবস্থার অর্থনৈতিক ভিত্তিকে নড়বড়ে করে দিয়েছে।
সামাজিক সংহতির অবক্ষয় এবং রাষ্ট্রীয় প্রচারণার ব্যর্থতা
বিপ্লব-পরবর্তী কিউবায় যে সামাজিক সংহতিকে রাষ্ট্রের শক্তির উৎস মনে করা হতো, তা বর্তমানে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে প্রতিশ্রুতি বিপ্লব দিয়েছিল, তা এখন আর কার্যকর নেই।
রাষ্ট্রীয় প্রচারণার ব্যর্থতার কারণ:
তথ্য প্রবাহের আধিপত্য: মানুষ এখন আর সরকারি প্রচারণা বিশ্বাস করে না; বরং তারা মনে করে নেতৃত্ব তাদের সার্বভৌমত্ব নয়, বরং ব্যক্তিগত "প্রাইভেট কিউবা" রক্ষা করতে ব্যস্ত।
বিকল্প সমর্থন: সাধারণ মানুষ এখন মার্কিন চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে, কারণ তারা মনে করে এই চাপ ছাড়া সরকার কোনো সংস্কারে বাধ্য হবে না।
গ্রানমা (Granma)-র অসারতা: সরকারি এই মুখপত্রটি এখন কেবল ঐতিহাসিক দলিলে পরিণত হয়েছে, জনমতে এর কোনো প্রভাব নেই।
সামাজিক অবক্ষয় ও নিরাপত্তার সংকট দারিদ্র্য ও চরম হতাশা কিউবায় নজিরবিহীন সামাজিক অবক্ষয় ডেকে এনেছে। কিউবা এখন সেই সব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে যা আগে "পুঁজিবাদী দেশের সমস্যা" বলে প্রচার করা হতো:
ফেন্টানাইল (Fentanyl) ও মাদকের বিস্তার: ফেন্টানাইলের মতো ভয়াবহ মাদকের বিস্তার কিউবার তরুণ সমাজকে ধ্বংস করছে। কিউবানদের ভাষায়, তারা এখন "দরিদ্র আমেরিকানদের সমস্যার" স্বাদ গ্রহণ করছে।
সহিংস অপরাধ: এক সময় কিউবা অপরাধমুক্ত দেশ হিসেবে পরিচিত থাকলেও, বর্তমানে দারিদ্র্যের কারণে সহিংসতা ও চুরি দৈনন্দিন ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে মৌলিক পিলার, তার সম্পূর্ণ পতনকে নির্দেশ করে।
নীতিগত উপসংহার এবং ভবিষ্যৎ রূপরেখা
কিউবার বর্তমান নেতৃত্বের সামনে এখন টিকে থাকার পথ অত্যন্ত সংকীর্ণ। মার্কিন লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত বৈপরীত্য কিউবান বিপ্লবকে একটি চূড়ান্ত পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
চূড়ান্ত মূল্যায়ন: কিউবান নেতৃত্বের সীমাবদ্ধতা
ব্যক্তিগত স্বার্থ বনাম রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব: কিউবার নেতৃত্ব GAESA-র ওপর নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে নারাজ, যা যেকোনো অর্থবহ অর্থনৈতিক সংস্কারের পথে প্রধান বাধা। তারা সার্বভৌমত্বের দোহাই দিলেও মূলত নিজেদের সুযোগ-সুবিধা রক্ষা করছে।
পদ্ধতিগত অস্থিতিশীলতা: সামরিক এলিটদের সুরক্ষিত রাখার নীতি এবং সাধারণ মানুষের চূড়ান্ত দারিদ্র্যের মধ্যে যে ব্যবধান তৈরি হয়েছে, তা সমাজকে একটি বড় ধরনের গণবিস্ফোরণের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
ভবিষ্যদ্বাণী বর্তমান জনবিদ্বেষ এবং অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার যে পর্যায় আমরা ২০২৬ সালে দেখছি, তাতে কিউবান বিপ্লবের আদর্শিক বা রাজনৈতিক কাঠামো দীর্ঘস্থায়ী হওয়া অসম্ভব। এলিটদের সুরক্ষা বলয় এবং গণ-বঞ্চনার মধ্যকার কাঠামোগত দ্বন্দ্ব এমন এক বিন্দুতে পৌঁছেছে যেখানে রাষ্ট্রীয় সংহতি বজায় রাখার আর কোনো উপায় অবশিষ্ট নেই। মার্কিন চাপ এবং অভ্যন্তরীণ ক্ষোভের এই সম্মিলিত সংঘাত কিউবার শাসনব্যবস্থায় একটি বড় ধরনের পরিবর্তনের অনিবার্যতাকে নির্দেশ করছে।
কিউবা বর্তমানে তার ইতিহাসের এমন এক চূড়ান্ত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে বিপ্লবের স্লোগানগুলো ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে অর্থহীন এবং নেতৃত্বের ব্যক্তিগত লোভই এখন শাসনের প্রধান দুর্বলতা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
Before you go ...
We're building a community of experts dedicated to rebuilding trust and serving the public by making knowledge available to everyone. Join us at the beginning of our journey and receive a curated list of articles in your inbox twice a week. Be among our first subscribers!







